• 01711004120, 01309-103945,
  • monirbn521966@gmail.com
  • Unkila
  • Sahrasti, Chandpur
  • 8.00 AM - 5.00 PM
  • Saterday - Thursday
বিদ্যালয় পরিচিতি
বিদ্যালয় পরিচিতি
“ওয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিকথা”

রাড়া এম. হাউজ প্রকাশ কোনার বাড়ি নিবাসী মরহুম মকবুল আলহাজ্ব মৌলভী গোলাম রহমান সাহেব অত্র এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মানষে তাঁহার ঐকান্তিক ইচ্ছা ও প্রচেষ্টায় তাঁহার নিজ নামানুসারে তাঁহার নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় তাঁহার স্বীয় পিতা আহম্মদ উল্যাহ মুন্সী সাহেব পৈত্রিক ভূমিতে ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ওয়ারুক রহমানিয়া জুনিয়র মাদ্রাসার ভীত রচনা করেন। অতঃপর তাঁহার স্বীয়পিতা মরহুম আহম্মদ উল্যাহ মুন্সী সাহেব কর্তৃক বিগত ৬ নভেম্বর, ১৯১৯ খ্রিষ্টব্দে ৩৭ (সাইত্রিশ) শতক ভূমির দানপত্র দলিলের মাধ্যমে ওয়ারুক রহমানিয়া জুনিয়র মাদ্রাসার কার্যক্রম স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং পরবর্তীতে ২৯ এপ্রিল, ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে আলহাজ¦ মৌলভী গোলাম রহমান সাহেবের স্বীয়পুত্র সর্বজনাব আলহাজ¦ মুহাম্মদ নুরুল হক (রঃ), মৌলভী মুহাম্মদ আমিনুল হক (রঃ) ও মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক কর্তৃক ৩ (তিন) শতক এবং বিগত ২০ আগস্ট, ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে একই নিবাসী সর্বজনাব মুহাম্মদ মনির উদ্দিন, মুহাম্মদ আবদুর রহমান, মুহাম্মদ আবদুল মজিদ, মুহাম্মদ আবদুল গনি, হাফেজ মুহাম্মদ নছর উদ্দিন, আবদুল বারী ও মোঃ খলিলুর রহমান কর্তৃক ৬ (ছয়) শতক ও বিগত ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে একই নিবাসী সর্বজনাব মাষ্টার আবদুল খালেক, মৌলভী আমিনুল হক ও লুৎফে আলী মিয়া কর্তৃক (২+২+৪) = ৮ (আট) শতক ভূমি ওয়ারুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে দানপত্র দলিলের মাধ্যমে সর্বশেষ ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে বি. এস জরিপের কালে সর্বজনাব আবদুর রহমান, আবদুল মজিদ, আবদুস ছাত্তার, আবদুল গনি, আবদুর রব ও আবদুল হামিদ গংদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৬ (ছয়) শতক ভূমি অন্তর্ভূক্ত হয়ে মোট (৩৭+৩+৬+৮+৬) = ৬০ (ষাট) শতক দানকৃত এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তারিখে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভূমিদাতাদের পৈত্রিক সূত্রের মালিকানা (৭+৪.৫+২+১২+১২+১২) = ৪৯.৫ শতক ভূমি ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে পরিশেষে ভূমিদাতাদের রাস্তা সংলগ্ন যৌথমালিকানাদের মধ্যে সর্বজনাব মুহম্মদ তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ রেজাউল হক, মুহাম্মদ কবীর হোসেন, মুহাম্মদ আবুল হাসেম, মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, মুহাম্মদ ফখর উদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ মজিবুর রহমান গংদের মাধ্যমে ৬.৯২(ছয় দশমিক নয় দুই) শতক জমি সমযোতার দলিল দান করেন এবং বিদ্যালয়ের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদ নির্মাণ কল্পে আল্লামা মুহাম্মদ নুরুল হক (রঃ) মসজিদ ও ফাউন্ডেশনের শিরোনামে সর্বজনাব মৌলভী আমিনুল হক, মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, মোঃ আতিক উল্যাহ, একেএম জামাল হোসেন ও মুহাম্মদ ইয়ামিন কর্তৃক ৫(পাঁচ) শতক ভূমি দানপত্র দলিল ও ব্যবহারের সমযোতা চুক্তির মাধ্যমে সর্বমোট (৬০+৪৯.৫+৬.৯২+৫) =১২১.৪২ (একশত একুশ দশমিক চার দুই) শতক এর উপর বর্তমান ওয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও ওয়ারুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্থাপনা বিদ্যমান।তাছাড়া বিদ্যালয়টিকে সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে বিগত ……………… তারিখে ওয়ারুক দক্ষিণ পাটোয়ারী বাড়ি নিবাসী সর্বজনাব মরহুম আবদুল খালেক পাটোয়ারী ও মরহুম নূর মোহাম্মদ পাটোয়ারী যৌথভাবে ওয়ারুক রহমানিয়া জুনিয়র মাদ্রাসার নামে ৪৫ (পয়তাল্লিশ) শতক ভূমি দান করেন। যা বর্তমানে ওয়ারুক বাজারস্থ দাতাদের পিতার নামানুসারে রমজান সুপার মার্কেট হিসেবে বিদ্যমান। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, দানবীর ও সমাজ সেবকগণ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে আর্থিক, শারীরিক ও মানসিকভাবে তাঁদের অবদান রেখে গেছেন। সাম্প্রতিক কালে যারা আর্থিকভাবে সহায়তা দান করেছেন তাঁরা হলেন সর্বজনাব ডঃ মুহাম্মদ সফি উল্যাহ (ওয়ারুক), আলহাজ¦ মোঃ আবদুল অদুদ খান (এম.পি), আলহাজ¦ এম. মতিউর রহমান (সেতরা), ইঞ্জিনিয়ার মকবুল হোসেন পাটোয়ারী (বলশীদ), মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া মানিক (কুলশী), ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ওয়ারুক) এবং এম. রেজাউর রহমান নয়ন (সেতরা)। এছাড়াও যেসকল মনীষীগণ তাঁদের শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সর্বজনাব মরহুম আবুল হোসেন চৌধুরী (আজাগরা), মরহুম আবদুল খালেক মাস্টার (রাড়া, এম হাউজ), মরহুম মোহাম্মদ আবদুল হক (আলীপুর), মরহুম কারী মনসুর আলী (শিবপুর), মরহুম কামাল উদ্দিন আহমেদ (আলীপুর), মরহুম কাজী মজিবুর রহমান (আলীপুর), মরহুম সেকান্দার আলী ভূঁইয়া (কুলশী), মরহুম খোন্দকার সুফিয়ান শাহ (সুরসই), মরহুম মুহাম্মদ জাহিদুল হক খান (আজাগরা), মরহুম আবদুল মজিদ (রাড়া, এম হাউজ), মরহুম এডভোকেট আবু তাহের ভূঁইয়া (কুলশী), মরহুম আবুল বাশার দর্জি (সুরসই), মরহুম আবুল কাসেম (ওয়ারুক), মরহুম লিয়াকত হোসেন চৌধুরী (আজাগরা), মুরাদ হোসেন চৌধুরী (আজাগরা), মরহুম মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন মজুমদার ( আলীপুর), মরহুম কাজী মোহাম্মদ আবু ইউসুফ (আলীপুর), মরহুম সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চৌধুরী ( আজাগরা), মরহুম আবদুল্লাহ আল হারুন (ওয়ারুক), উপাধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম (ওয়ারুক), মরহুম এম মুনির হাসান মোল্লা (আজাগরা), মরহুম ফকির নাজিমুল হক নান্নু, মরহুম জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, মরহুম আবদুল কাদের পাটোয়ারী (ওয়ারুক), আবুল বাশার ভূঁইয়া (কুলশী), মরহুম মোঃ হুমায়ুন কবির মজুমদার (সুরসই), মুহাম্মদ কবির হোসেন (রাড়া এম. হাউজ), নজির আহমেদ (রাড়া), মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান (রাড়া), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার (রাড়া, এম হাউজ), মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ খান (সেতরা), মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল (মুড়াগাঁও), মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা (সেতরা) প্রমূখ উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও নাম না জানা অনেকেই আছেন এবং যাদের নাম আমাদের স্মরণে বা স্মৃতিতে নেই এমন অনেকেই অবদান রেখেছেন যাদের অবদান অনস্বীকার্য। আমরা এই মুহুর্তে তাঁদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। ওয়ারুক রহমানিয়া জুনিয়র মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন আনছরপুর নিবাসী মরহুম ছৈয়দুর রহমান। যদিও পরবর্তীতে তিনি রাড়া গ্রামে স্থায়ী বসতি স্থাপন করেন, যা রাড়া মাস্টার বাড়ি নামে পরিচিত। এছাড়া প্রাথমিক যুগে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মাদ্রাসা কার্যক্রম সুচারুরূপে পরিচালিত হয়েছে এবং উত্তোরোত্তর উন্নতি লাভ করেছে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য সর্বজনাব প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ¦ মৌলভী গোলাম রহমান, মরহুম আলহাজ¦ খন্দকার আবদুল মতিন পন্ডিত, মরহুম কাজী আবদুল লতিফ সহ অনেকেই ছিলেন যাদের নাম আজ আমাদের স্মরণে বা স্মৃতিতে নেই। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠাতার স্বীয় জ্যেষ্ঠ পুত্র মরহুম আলহাজ¦ মুহাম্মদ নুরুল হক (রঃ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতা আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় হতে কৃতিত্বের সাথে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে ১৯৫৩ খ্রিষ্টব্দে কলকাতা রাইটার্স বিল্ডিং এর চাকুরী থেকে ইস্তফা দিয়ে বাবার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের হাল ধরেন। তাঁহার হাত ধরেই প্রতিষ্ঠানটি ক্রমশ উন্নতির দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের সকল হাই মাদ্রাসাকে হাই স্কুলে রূপান্তর করে, তখন তাঁহার হাতেই এই মাদ্রাসাটিকেও হাই স্কুলে উন্নীত করা হয়। আলহাজ্ব মুহাম্মদ নুরুল হক (রঃ) যেমনিভাবে ধর্মভীরু ছিলেন তেমনি প্রগতিশীল সামাজিক মানুষও ছিলেন। তাছাড়া তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি একজন আধ্যাত্মিক সাধকও ছিলেন বটে। তারই ফলশ্রæতিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে তাঁহার লেখা একখানা কিতাব প্রকাশিত হয়েছে, যার নাম নূরে মোজাস্সাম মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাঁহার আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞায় ওয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ষাটের দশকেই জেলার মধ্যে অন্যতম বিদ্যাপীঠ হিসেবে স্থান করে নেয়। সে ধারাবাহিতায় এখনো উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। তিনি ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দ হতে একাধারে ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সহিত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। অতঃপর প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব যারা পালন করেছিলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শ্রী কানাইলাল ভৌমিক, মরহুম এ.এইচ.এম শামছুল আলম, মোহাম্মদ আবদুল জলিল, মোহাম্মদ আবদুস সালাম, এম.এ মালেক ও শুখরঞ্জন দাস। ওয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে বহু মেধাবী ও গুণীজন উচ্চশিক্ষিত হয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে দেশ ও জাতির কল্যানে ভূমিকা রেখে গেছেন। এখনো খেদমত করে যাচ্ছেন এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৯৫৫ ব্যাচ এর এডভোকেট কাজী হাবিবুর রহমান (আলীপুর),বিশিষ্ট আইনজীবী; ১৯৬২ ব্যাচ এর এম.এ জলিল (রাড়া, এম হাউজ), সি.এম.পি মহাব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক; এম.এ জব্বার (রাড়া, এম হাউজ), জেলা শিক্ষা অফিসার; ১৯৭৩ ব্যাচ এর মুহাম্মদ নূর হোসেন,অধ্যক্ষ- ক্যাডেট কলেজ; ১৯৬৬ ব্যাচ এর মুহাম্মদ ছায়েদ, উপ- মহাব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক; মুহাম্মদ খোরশেদ আলম- মহাব্যবস্থাপক, সোনালী ব্যাংক; ১৯৭৮ ব্যাচ এর মুহাম্মদ কবির হোসেন- মহাব্যবস্থাপক, সোনালী ব্যাংক; ১৯৮১ ব্যাচ এর ডঃ মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, উপ-সচিব, এডভোকেট আবদুল কাদের, বিশিষ্ট আইনজীবী; ১৯৮১ ব্যাচ এর মুহাম্মদ ফরিদ আহমেদ মজুমদার, প্রভাষক- সরকারি টিটি কলেজ, কুমিল্লা; ১৯৮২ ব্যাচ এর ডঃ মোহাম্মদ মুয়াজ্জেম হোসেন, অধ্যাপক- চট্রগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়; ১৯৯১ ব্যাচ এর মোসাম্মৎ ফাতেমা জাহান(আলীপুর), যুগ্ম সচিব। এছাড়াও নাম জানা, না জানা অনেক ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষানুরাগী ও দানবীর এই বিদ্যালয় থেকে জ্ঞান অর্জন করে দেশ ও দশের উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য যে, এই বিদ্যালয়ে প্রথম বৃত্তি লাভ করেন এই বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র বলশীদ নিবাসী এবং এই বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক জনাব আলহাজ¦ আবদুল মমিন (বি.এস.সি)। এছাড়া ডঃ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এই বিদ্যালয় থেকে বৃহত্তর কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে তৃতীয় মেধাতালিকা লাভ করেন। অত্র বিদ্যালয়টি যুগযুগ ধরে পড়াশুনায় যেমনি অগ্রগামী অবস্থায় অবস্থান করছে তেমনি খেলাধুলায় তার রয়েছে বীরগাঁথা ঐতিহ্য। তারই স্বীকৃতিস্বরূপে ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে সেতরা মজুমদার বাড়ী নিবাসী মরহুম দেলোয়ার হোসেন মজুমদার জাতীয় পর্যায়ে সাঁতার প্রতিযোগীতায় তৃতীয় স্থান লাভ করার গৌরব অর্জন করেন এবং ……… মেডেল প্রাপ্ত হন। এছাড়াও ফুটবল, ভলিবল ও অন্যান্য খেলাধুলায়ও ব্যাপক ঐতিহ্য বহন করছে। ঐতিহাসিক মহান মুক্তিযুদ্ধেও অত্র বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র সাধ্যমত যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদের মধ্যে শহীদ হেমায়েত উদ্দিন চৌধুরী (আজাগরা), শহীদ ইলিয়াস হোসেন (আজাগরা) অন্যতম। তাছাড়া অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে সর্বাপস্থায় নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছেন। তাঁহারা হলেন আলহাজ¦ মোহাম্মদ কোরবান আলী (রাড়া, এম হাউজ), মরহুম আবু সালেহ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল (রাড়া, এম হাউজ), মোঃ আলী আকবর পাটোয়ারী (রাড়া), মোহাম্মদ হাফিজ আহমেদ পাটোয়ারী (রাড়া), মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ পাটোয়ারী (আজাগরা), মরহুম আলহাজ¦ মোহাম্মদ আবুল খায়ের মেম্বার (ওয়ারুক), মরহুম আবদুল মতিন (শিবপুর), মরহুম মোজাম্মেল হক (সুরসই), মরহুম রুহুল আমিন (আলীপুর), আবুল বাশার (আলীপুর), মোহাম্মদ শামছুল হক (রাড়া), মোহাম্মদ তোজাম্মেল হক (রাড়া, এম হাউজ) প্রমূখ উল্লেখযোগ্য। উল্লেখ্য যে, শহীদ হেমায়েত উদ্দিন চৌধুরী তৎকালীন সময়ে সি.এস.পি অফিসার হিসেবে যশোর সেনানীবাসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং শহীদ ইলিয়াস হোসেন লাউকরা গ্রামে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন। ওয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি অত্র এলাকার মানুষের শিক্ষাদীক্ষায় অনেক অবদান রেখে যাচ্ছে। ফলে এলাকার মানুষ অনেক আলোকিত হতে পেরেছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ভোকেশনালসহ মোট দেড় সহ¯্রাধিকের অধিক ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করছে। সম্প্রতি দক্ষ ব্যবস্থাপনা কমিটির আন্তরিকতা ও ভূমিদাতাদের সহযোগীতায় বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রের আর্থিক অনুদানে (আংশিক) এবং বিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল হতে একটি দৃষ্টিনন্দন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বিদ্যালয়টি একটি নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় এসেছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের ছেলেদের নামাজের জন্য আল্লামা নুরুল হক (রঃ) মসজিদ ও ফাউন্ডেশনের শিরোনামে চারতলা ভিত বিশিষ্ট একটি মসজিদ নির্মানাধীন রয়েছে। আশা করি এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে অচিরেই বিদ্যালয়ে এলাকার অন্য সকল বিদ্যালয়ের সমন্বয়ে একটি আদর্শ পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন এবং বিদ্যালয়টিকে এলাকার চাহিদা অনুযায়ী একটি মহাবিদ্যালয়ে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। অত্র বিদ্যালয়ে বর্তমানে একজন প্রধান শিক্ষক ও একজন সহকারী প্রধান শিক্ষক সহ মোট ১৯ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক, ০৬ জন বিদ্যালয় অর্থায়নে নিয়োগকৃত শিক্ষক পাঠদানে নিয়োজিত রয়েছেন এবং ০৩ জন তৃতীয় শ্রেণি ও ০৫ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। সর্বোপরি বিদ্যালয়টি অত্র এলাকার আলোর প্রদীপ শিখার মত প্রজ্জলিত হয়ে আছে।

Like Our Page